মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

আপন নিউজ অফিসঃ পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে জেলেদের হয়রানির অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী চর মোন্তাজ জেলে মোঃ জামাল ১৪ জুন পুলিশ সুপার নৌ-পুলিশ বরিশাল অঞ্চল বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর আগেও ৬ জুন অতিরিক্ত আইজিপি, নৌ-পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশ এর বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে জেলে জামাল উল্লেখ করেন যে, সরকার ঘোষিত বর্তমানে নদীতে ৬৫ দিনের অবরোধ চলাকালীন সময় বাংলাদেশ নৌ-পুলিশ পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা ফাঁড়ির পুলিশ যৌথভাবে জেলে ও গদি থেকে বেপরোয়া ভাবে চাঁদা দাবী করে আদায় করছে। নদীতে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পায়রা বন্দরের বোট মাঝি মোঃ লাল মিয়া এবং কুয়াকাটার বোট মাঝি মোঃ ইব্রাহিম এর সহযোগীতায় নৌ-পুলিশ জেলেদের কাছে থেকে অতিরিক্ত চাঁদা আদায় করে। জেলেরা যদি চাঁদা দিতে অস্বীকার করে করে তাহলে জেলেদের নৌ-পুলিশ দ্বারা মারধর সহ মামলা দিয়ে হয়রানীর স্বীকার করে। চর মোন্তাজের জামাল আমার কাছ থেকে ৩৫,০০০/- (পয়ত্রিশ হাজার) টাকা নিছে। ওসি কামালের নির্দেশে মাঝি লাল মিয়া আমার কাছ থেকে উক্ত ৩৫,০০০/- টাকা নিছে। মহোদয় আমি উক্ত পুলিশ সুপারের কাছে এই বিষয়ে একটি আবেদন পত্র জমা দেওয়ার পর উক্ত বিষয়টি পায়রা বন্দরের ওসি কামাল ও কুয়াকাটা ওসি মোর্শেদ জানিতে পেরে আমাকে মোবাইল ফোনের মাধমে হুমকী ধামকী দিয়ে আসছে। এমনকি আমাকে নদীতে জাল ফেলিতে নিষেধ করছে। আমি যদি নদীতে জাল ফেলি তাহলে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিবে এবং ট্রলার সহ জাল আটক করার হুমকী দিয়ে আসছে। অথচ সাগরে শত শত বোড জাল ফালাইতেছে। এবং তাদেরকে মেনেজ করে উক্ত বোডগুলো অবাদে মাছ স্বীকার করে। এমতাবস্থায় এই বেপরোয়া চাঁদাবাজি এবং নদীতে মাছ ধরা উভয় দন্ডনীয় অপরাধ বিধায় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যাতে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে যাতে সাধারন জেলেদের সঠিক সময় মাছ ধরতে পারে তাহার একান্ত আজ্ঞা কামনা করেন তিনি। তিনি বলেন বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।
এ ব্যাপারে পায়রা বন্দর নৌ-পুলিশ এর আইসি মোঃ কামাল বলেন, এসব মিথ্যে অভিযোগ, বরিশাল অফিসে আছি, এ ব্যাপারে আপনার সাথে পরে কথা বলবো।
কুয়াকাটা পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মোর্শেদ বলেন, অভিযোগকারীকে আমি চিনি না, এসব বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply